বাংলা ব্যাকরণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ ৫০ টি প্রশ্ন ও উত্তর

বাংলা ব্যাকরণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ ৫০ টি প্রশ্ন ও উত্তর

নিচে বাংলা ব্যাকরণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ ৫০ টি প্রশ্ন ও উত্তর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিলাম। এগুলো বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বেসিক ও উচ্চতর পর্যায়ের অনেক গুরুত্বপূর্ণ টপিক কভার করে। প্রত্যেকটির সাথে সম্পূর্ণ সংজ্ঞা, উদাহরণ ও প্রাসঙ্গিক তথ্য দেওয়া আছে যাতে পরীক্ষা প্রস্তুতিতে সহায়তা হয়।

১) অপমান শব্দের “অপ” উপসর্গের অর্থ কী?

উত্তর: ‘অপ’ উপসর্গটি বাংলা ভাষায় বিপরীত অর্থে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা: ‘অপ’ মানে ‘বিপরীত’ বা ‘বিরোধী’। যেমন—অপমান = মান হারানো বা ছোট করা।
উদাহরণ: অপকার (ক্ষতির বিপরীত), অপবাদের অর্থ নেতিবাচক বাচক।

২) ‘ধ্বনি দিয়ে আট বাঁধা শব্দই ভাষার ইট’ — এই ‘ইট’ বাংলায় কী বলা হয়?

উত্তর: বর্ণ।
ব্যাখ্যা: ভাষার মৌলিক একক হলো বর্ণ। ধ্বনি বা শব্দ তৈরির একক ‘বর্ণ’ হল ধ্বনি ভিত্তিক ক্ষুদ্রতম ইউনিট।
উদাহরণ: বাংলা বর্ণমালা ১১টি স্বরবর্ণ এবং ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ নিয়ে গঠিত।

৩) ষড়ঋতু শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কী?

উত্তর: ষট্ + ঋতু।
ব্যাখ্যা: বাংলা শব্দগুলোতে ‘সন্ধি’ বা যুক্তাক্ষর থাকে। এখানে ‘ষড়’ আসলে সংস্কৃত ‘ষট্’ থেকে এসেছে, যার অর্থ ‘ছয়’, আর ‘ঋতু’ অর্থ ‘কাল’ বা ‘মৌসুম’।
উদাহরণ: ষড়ঋতু = ছয়টি ঋতু (মৌসুম)।

৪) ‘ইচ্ছা’ শব্দের বিশেষণ কী?

উত্তর: ঐচ্ছিক।
ব্যাখ্যা: ‘ইচ্ছা’ শব্দ থেকে ‘ঐচ্ছিক’ বিশেষণ তৈরি হয় যার অর্থ ‘ইচ্ছানুযায়ী বা স্বেচ্ছায়’।
উদাহরণ: ঐচ্ছিক বিষয়, ঐচ্ছিক নিয়ম।

৫) নিশীথ শব্দের ব্যাকরণিক শ্রেণি কী?

উত্তর: বিশেষণ।
ব্যাখ্যা: নিশীথ মানে ‘রাতের গভীর সময়’। এটি বিশেষণ হিসেবে ব্যবহার হলে কোন বস্তু বা সময়কে নির্দিষ্ট করে।
উদাহরণ: নিশীথ রাতে, নিশীথ অন্ধকার।

৬) ‘যা বলা হয়নি’ এর বাংলা শব্দ কী?

উত্তর: অনুক্ত।
ব্যাখ্যা: অনুক্ত অর্থ ‘যা বলা হয়নি বা প্রকাশ পায়নি’।
উদাহরণ: অনেক অনুক্ত কথা হৃদয়ে থাকে।

৭) ‘অক্ষির সমীপে’ এর অর্থ কী?

উত্তর: সমক্ষ।
ব্যাখ্যা: সমক্ষ অর্থ ‘কোনো কিছুর খুব কাছাকাছি বা সংলগ্ন’।
উদাহরণ: অক্ষরের সমক্ষ স্থানে লেখা।

৮) ‘পুষ্প’ এর সমার্থক শব্দ কী?

উত্তর: অঙ্গনি নয়, পুষ্পের সমার্থক হলো ‘ফুল’।
ব্যাখ্যা: ‘অবনী’ অর্থ ‘পৃথিবী’, তাই পুষ্পের সমার্থক নয়।
উদাহরণ: ফুল গাছের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।

৯) ‘গোঁফ খেজুরে’ বাগধারার অর্থ কী?

উত্তর: নিতান্ত অলস।
ব্যাখ্যা: ‘গোঁফ খেজুরে’ মানে কেউ কাজ করতে চায় না, খুব অলস।
উদাহরণ: সে তো গোঁফ খেজুরে, কোনো কাজই করে না।

১০) ‘রাবনের চিতা’ বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: চির অশান্তি বা শান্তিহীন অবস্থা।
ব্যাখ্যা: রাবন ছিল একজন দুষ্ট রাক্ষস, তার মৃত্যুর পর তাঁর চিতা অশান্তি প্রকাশ করে।
উদাহরণ: দেশের পরিস্থিতি রাবনের চিতার মত অশান্ত।

১১) পহেলা বৈশাখ চালু করেন কে?

উত্তর: সম্রাট আকবর।
ব্যাখ্যা: পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষকে সরকারি ও সাংস্কৃতিকভাবে চালু করেছিলেন মোগল সম্রাট আকবর।
উদাহরণ: প্রতি বছর ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ পালিত হয়।

১২) ‘হনন করার ইচ্ছা’ এর বাংলা শব্দ কী?

উত্তর: জিঘাংসা।
ব্যাখ্যা: জিঘাংসা মানে হত্যা করার বা কোনোকিছুর বিনাশ করার প্রবৃত্তি।
উদাহরণ: তার প্রতি আমার কোনো জিঘাংসা নেই।

১৩) ‘কৃষিজীবী’ শব্দের শুদ্ধ বানান কী

উত্তর: কৃষিজীবী।
ব্যাখ্যা: ‘কৃষি’ + ‘জীবী’ শব্দের সমন্বয়ে গঠিত, অর্থ ‘কৃষিকাজে নিয়োজিত ব্যক্তি’।
উদাহরণ: কৃষিজীবীরা দেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি।

১৪) ‘আভরণ’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: অলংকার।
ব্যাখ্যা: আভরণ অর্থ সোনার, রূপার বা মণির সাজসজ্জা বা অলংকার।
উদাহরণ: রাজকুমারীর গলায় সোনা-রূপার আভরণ ছিল।

১৫) ‘নন্দিত নরকে’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?

উত্তর: হুমায়ূন আহমেদ।
ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট লেখক হুমায়ূন আহমেদ এর একটি জনপ্রিয় উপন্যাস ‘নন্দিত নরক’।
উদাহরণ: নন্দিত নরকে মানব জীবনের বাস্তবতা উঠে এসেছে।

১৬) ‘কোর্মা’ শব্দটি কোন ভাষার?

উত্তর: তুর্কি।
ব্যাখ্যা: ‘কোর্মা’ হলো একটি তুর্কি শব্দ যার অর্থ ‘ভাজা মাংসের তরকারি’।
উদাহরণ: বাংলায় ‘কোর্মা’ রান্না প্রচলিত।

১৭) তদ্ভব শব্দের উদাহরণ দিন।

উত্তর: চাঁদ।
ব্যাখ্যা: তদ্ভব শব্দ হচ্ছে সংস্কৃত থেকে উদ্ভূত ও বাংলায় স্বতন্ত্র রূপ নেয়া শব্দ।
উদাহরণ: চাঁদ, পাতা, নদী।

১৮) ‘অপলাপ’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: অস্বীকার।
ব্যাখ্যা: অপলাপ মানে কিছু না বলা বা অস্বীকার করা।
উদাহরণ: তিনি অপরাধ স্বীকার না করে অপলাপ করলেন।

১৯) ‘প্রত্যয়গতভাবে শুদ্ধ’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: উৎকর্ষ, উৎকৃষ্ট, উৎকৃষ্টতা।
ব্যাখ্যা: প্রত্যয়গত শব্দগুলো হল মূল শব্দে প্রত্যয় যোগ করে গঠিত যা শুদ্ধ ও অর্থপূর্ণ।
উদাহরণ: উৎকর্ষ অর্জন করতে চাও।

২০) ‘পুণ্যে মতি হোক’ বাক্যে ‘পুণ্যে’ কী?

উত্তর: বিশেষ্যরূপে ব্যবহৃত।
ব্যাখ্যা: এখানে ‘পুণ্যে’ অর্থ ‘পুণ্যের মধ্যে’ বা ‘পুণ্যের জায়গায়’।
উদাহরণ: তোমার পুণ্যে মতি হোক।

২১) সমাসের কাজ কী?

উত্তর: ভাষাকে সংক্ষেপ করা।
ব্যাখ্যা: সমাস হলো দুটি বা ততোধিক শব্দকে যুক্ত করে নতুন শব্দ গঠন, ভাষাকে সংক্ষিপ্ত ও অর্থবহ করে।
উদাহরণ: রাম + সেতু = রামসেতু।

২২) ‘তিনি দরিদ্র কিন্তু খুব উদার’ বাক্যের ধরনের ব্যাখ্যা।

উত্তর: যৌগিক বাক্য।
ব্যাখ্যা: দুটি স্বাধীন অর্থবোধক অংশকে সংযোগকরণ করে গঠিত বাক্য।
উদাহরণ: আমি খেলতে যাবো, কিন্তু তুমি থাকবে না।

২৩) ‘সে এমন রুপবতী যেন অপ্সরা’ বাক্যের শুদ্ধতা।

উত্তর: শুদ্ধ বাক্য।
ব্যাখ্যা: বাক্যটি সঠিক, এতে তুলনা ও বর্ণনা ভালোভাবে করা হয়েছে।
উদাহরণ: সে এত সুন্দর যেন কোনো দেবী।

২৪) ‘যে ব্যক্তির দুহাত সমান চলে’ এর অর্থ কী?

উত্তর: সব্যসাচী।
ব্যাখ্যা: সব্যসাচী অর্থ একজন দক্ষ ব্যক্তি যে দুহাত সমান দক্ষতায় ব্যবহার করতে পারে।
উদাহরণ: সে সব্যসাচী ব্যক্তি।

২৫) ‘সূর্য’ এর প্রতিশব্দ কী?

উত্তর: আদিত্য।
ব্যাখ্যা: আদিত্য শব্দটি সংস্কৃত থেকে, সূর্যের অন্য নাম।
উদাহরণ: আদিত্য এক শক্তিশালী দেবতা।

২৬) মুজিব নগর স্মৃতি সৌধের স্থপতি কে?

উত্তর: তানভীর কবির।
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের স্মৃতিসৌধ নির্মাণে স্থপতি তানভীর কবিরের অবদান গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ: মুজিব নগর স্মৃতি সৌধ ঢাকার কাছে অবস্থিত।

২৭) ‘বাঙ্গালীর ইতিহাস’ এর রচয়িতা কে?

উত্তর: নীহার রঞ্জন রায়।
ব্যাখ্যা: তিনি একজন পরিচিত ইতিহাসবিদ ও গবেষক।
উদাহরণ: বাঙ্গালীর ইতিহাস বইটি শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

২৮) সৌভাগ্যের বিষয় কোনটি?

উত্তর: একাদশে বৃহষ্পতি।
ব্যাখ্যা: সৌভাগ্যের দিন হিসাবে একাদশ ও বৃহষ্পতির দিনকে ধরা হয়।
উদাহরণ: এই দিনে নতুন কাজ শুরু করা শুভ।

২৯) সংশপ্তক ভাস্কর্যটির অবস্থান কোথায়?

উত্তর: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে।
ব্যাখ্যা: এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাস্কর্য যা বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও শিল্পকে তুলে ধরে।
উদাহরণ: সংশপ্তক ভাস্কর্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশপথে আছে।

৩০) পদ বলতে কী বুঝায়?

উত্তর: বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতু।
ব্যাখ্যা: পদ হলো বাক্যের সর্বনিম্ন একক যা অর্থবোধক হয় এবং বাক্যে ব্যবহার হয়।
উদাহরণ: বইটি, পড়ছে, ছাত্র।

৩১) ‘হাতের পাঁচ’ এর অর্থ কী?

উত্তর: শেষ সম্বল।
ব্যাখ্যা: হাতের পাঁচ অর্থ হাতের পাঁচ আঙুল; যার অর্থ ‘অতি প্রয়োজনীয় বা শেষ আশ্রয়স্থল’।
উদাহরণ: সে আর কোথায় যাবে, হাতের পাঁচ ছাড়া?

৩২) ‘সুন্দর’ শব্দের ব্যাকরণিক শ্রেণি কী?

উত্তর: বিশেষ্য নয়, বিশেষণ।
ব্যাখ্যা: ‘সুন্দর’ কোনো বিশেষ্যকে বর্ণনা করে, তাই এটি বিশেষণ।
উদাহরণ: সুন্দর ফুল, সুন্দর বাড়ি।

৩৩) ‘তুমি না বলেছিলে আগামীকাল আসবে?’ বাক্যে ‘না’ এর ভূমিকা কী?

উত্তর: হ্যাঁ-বাচক।
ব্যাখ্যা: এখানে ‘না’ প্রশ্নবাচক অংশে ব্যবহৃত হলেও অর্থ ‘হ্যাঁ’ বা ‘নিশ্চিতভাবেই’।
উদাহরণ: তুমি আসবে, তাই না?

৩৪) ‘যেই তার দর্শন পেলাম, সেই আমরা প্রস্থান করলাম’ বাক্যের ধরনের ব্যাখ্যা।

উত্তর: মিশ্র বাক্য।
ব্যাখ্যা: দুটি বা ততোধিক বাক্যের সংযোগ যা একসাথে অর্থবোধক।
উদাহরণ: সে খেলতে গেল, কিন্তু বৃষ্টি হল।

৩৫) রবীন্দ্রনাথের নাটকের নাম কী?

উত্তর: চতুরঙ্গ।
ব্যাখ্যা: চতুরঙ্গ রবীন্দ্রনাথের একটি বিখ্যাত নাটক।
উদাহরণ: চতুরঙ্গ নাটকে মানসিক ও সামাজিক টানাপোড়েন ফুটে উঠেছে।

৩৬) শাহনামা রচনা করেন কে?

উত্তর: ফেরদৌসী।
ব্যাখ্যা: পেন্ডার সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ মহাকাব্য ‘শাহনামা’ লিখেছেন ফেরদৌসী।
উদাহরণ: শাহনামা পারস্যের ইতিহাস ও কিংবদন্তি নিয়ে রচিত।

৩৭) ‘অতি’ শব্দের ব্যাকরণিক ধরন কী?

উত্তর: উপসর্গ।
ব্যাখ্যা: ‘অতি’ হলো একটি উপসর্গ যা শব্দের অর্থকে বৃদ্ধি বা অতিরিক্ত বোঝায়।
উদাহরণ: অতিভারী, অতিদ্রুত।

৩৮) “ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে…” – এই কথার লেখক কে?

উত্তর: প্রমথ চৌধুরী।
ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিশেষ অবদান রেখেছেন।
উদাহরণ: ভাষার গুরুত্ব ও প্রসার নিয়ে তার প্রচুর রচনা আছে।

৩৯) “আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে” প্রার্থনাটি কার?

উত্তর: ঈশ্বরী পাটনী।
ব্যাখ্যা: ঈশ্বরী পাটনী একজন জনপ্রিয় সাহিত্যিক, যিনি এই প্রার্থনা রচনা করেছেন।
উদাহরণ: শিশুর ভালো থাকার জন্য এই প্রার্থনা প্রচলিত।

৪০) ‘কাশবনের কন্যা’ কী?

উত্তর: উপন্যাস।
ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস।
উদাহরণ: কাশবনের কন্যা উপন্যাসটি সাহিত্যাঙ্গনে পরিচিত।

৪১) কোন সমাসকে দ্বিগু সমাস বলে?

উত্তর: যেই সমাসের পূর্ব পদ সংখ্যাবাচক এবং সমস্ত পদের দ্বারা সমাহার বোঝায়।
ব্যাখ্যা: যেমন—দ্বিগু সমাসে দুই বা ততোধিক সংখ্যাবাচক পদ থাকে।
উদাহরণ: পঞ্চবিঘ্ন।

৪২) প্রথম বাংলা থিসরাস কে সংকলন করেন?

উত্তর: অশোক মুখোপাধ্যায়।
ব্যাখ্যা: তিনি বাংলা ভাষার সমার্থক শব্দের অভিধান বা থিসরাস প্রথম সংকলন করেন।
উদাহরণ: ভাষা শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক।

৪৩) ‘নিরানব্বইয়ের ধাক্কা’ কী?

উত্তর: সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি।
ব্যাখ্যা: ৯৯ শতাংশ অর্থ সঞ্চয় বা বাঁচিয়ে রাখার প্রবৃত্তি বোঝানো হয়।
উদাহরণ: মানুষের মধ্যে সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি থাকা উচিত।

৪৪) একুশে ফেব্রুয়ারি প্রথম সংকলনের সম্পাদক কে?

উত্তর: হাসান হাফিজুর রহমান।
ব্যাখ্যা: ২১শে ফেব্রুয়ারির স্মরণে প্রথম সংকলনের সম্পাদক ছিলেন তিনি।
উদাহরণ: ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।

৪৫) ‘বনফুল’ কার লেখা?

উত্তর: বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়।
ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যে ‘বনফুল’ উপন্যাসের রচয়িতা তিনি।
উদাহরণ: বনফুল উপন্যাসে গ্রামীণ জীবনের চিত্রায়ণ।

৪৬) ‘কষ্টে অতিক্রম করা যায় না যা’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর: দুরতিক্রম্য।
ব্যাখ্যা: যা খুব কষ্টকর বা কঠিন, তাকে দুরতিক্রম্য বলে।
উদাহরণ: এই বাধা দুরতিক্রম্য নয়।

৪৭) ‘উৎকর্ষতা’ শব্দ কেন অশুদ্ধ?

উত্তর: প্রত্যয়জনিত কারনে।
ব্যাখ্যা: ‘উৎকর্ষতা’ শব্দটি প্রত্যয় সঠিক যুক্ত না হওয়ায় ভুল। সঠিক রূপ ‘উৎকর্ষ’।
উদাহরণ: তিনি অনেক উৎকর্ষ অর্জন করেছেন।

৪৮) কোনটি সঠিক: ‘বহিপীর’ (নাটক)?

উত্তর: ‘বহিপীর’ সঠিক।
ব্যাখ্যা: নাটকের নাম হিসাবে ‘বহিপীর’ সঠিক বানান।
উদাহরণ: সাহিত্যিক নাটক ‘বহিপীর’ বিশ্লেষণ।

৪৯) ‘ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ’ রচনা করেন কে?

উত্তর: সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।
ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণের ওপর তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদান।
উদাহরণ: বাংলা ব্যাকরণের গঠন ও রীতি এই গ্রন্থে বর্ণিত।

৫০) ক্রিয়াপদ বাক্যে সব সময় থাকবে কি না?

উত্তর: হ্যাঁ, ক্রিয়াপদ সব সময় বাক্যে থাকবে।
ব্যাখ্যা: বাক্যের প্রধান উপাদান হলো বিষয় ও ক্রিয়া। ক্রিয়া না থাকলে বাক্যের সম্পূর্ণতা থাকে না।
উদাহরণ: সে চলে গেলো। (ক্রিয়া ‘চলে গেলো’)

শেষ কথা:

এই ৫০টি প্রশ্ন ও তাদের বিস্তারিত ব্যাখ্যা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বিভিন্ন দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য সম্পর্কিত যেকোনো পরীক্ষা ও আলোচনা সহজ হয়ে যাবে।

Jobmate BD All Features – আপনার চাকরির প্রস্তুতির সঙ্গী

চাকরির প্রস্তুতির প্রতিটি ধাপে Jobmate BD রয়েছে আপনার পাশে। নিচে দেওয়া টুল ও বিভাগগুলো ব্যবহার করে আপনি আরও সহজে প্রস্তুতি নিতে পারবেন।

প্রিলি টেস্ট (Preli Test):
চাকরির পরীক্ষার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় অনলাইন কুইজ টুল। এখানে পাবেন NTRCA, প্রাইমারি ও ১১-২০ গ্রেড পর্যন্ত সব পূর্ববর্তী প্রশ্ন। নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন সহজেই।
➤ প্রিলি টেস্ট দিন

জব সার্কুলার:
সর্বশেষ সরকারি ও বেসরকারি চাকরির বিজ্ঞপ্তি এক জায়গায়। আবেদন লিংক ও বিস্তারিতসহ প্রতিদিনের আপডেট দেখুন এখানে।
➤ সর্বশেষ জব সার্কুলার

সাজেশন ও টিপস:
চাকরির প্রস্তুতিতে সহায়ক সাজেশন, শর্ট ট্রিকস ও টিপস প্রকাশ করা হয় নিয়মিত। পরীক্ষায় ভালো করতে এগুলো পড়ুন।
➤ সাজেশন ও টিপস

টাইপিং স্পিড টেস্ট:
আপনার বাংলা ও ইংরেজি টাইপিং স্পিড পরীক্ষা করুন সহজেই। দ্রুত টাইপিং অভ্যাস গড়ে তুলুন।
➤ টাইপিং টেস্ট দিন

বয়স ক্যালকুলেটর:
আবেদন করার আগে নিজের বয়স যাচাই করুন নির্ভুলভাবে। জন্মতারিখ দিন, ফলাফল পান সঙ্গে সঙ্গে।
➤ বয়স ক্যালকুলেটর

CGPA ক্যালকুলেটর:
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সহজ CGPA হিসাব টুল। আপনার ফলাফল যাচাই করুন সহজে।
➤ CGPA ক্যালকুলেটর

HSC GPA ক্যালকুলেটর:
আপনার এইচএসসি রেজাল্টের GPA হিসাব করুন দ্রুত ও নির্ভুলভাবে।
➤ HSC GPA ক্যালকুলেটর

SSC GPA ক্যালকুলেটর:
সহজে আপনার এসএসসি GPA হিসাব করুন আমাদের স্মার্ট টুল দিয়ে।
➤ SSC GPA ক্যালকুলেটর


চাকরির প্রস্তুতি, তথ্য ও সহায়ক টুল—সব এক জায়গায় Jobmate BD। প্রতিদিনের আপডেট পেতে নিয়মিত ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট।

Author Photo

Zaman Ahmed

Founder & Web Developer, Jobmate BD

আমি জামান আহমেদ, ওয়েব ডেভেলপার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর। Jobmate BD এর মাধ্যমে আমি চাকরিপ্রস্তুতি, টেক ও অনলাইন টুল নিয়ে নিয়মিত লিখি।

Related Posts